সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

সুষ্ঠু নির্বাচনই স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ

  • আপলোড সময় : ০৭-১১-২০২৫ ০৯:০২:২০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৭-১১-২০২৫ ০৯:০২:২০ পূর্বাহ্ন
সুষ্ঠু নির্বাচনই স্থিতিশীলতার একমাত্র পথ
দেশের নির্বাচনকে ঘিরে যখন মাঠে উত্তেজনা বাড়ছে, প্রার্থী ঘোষণা-পর্ব শেষ হতেই নানা এলাকায় সংঘাতের খবর মিলছে - ঠিক সেই সময় সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বক্তব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছে। তারা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন- দেশের জনগণ যেমন চায়, সেনাবাহিনীও চায় অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। এটিই দেশের স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি। এই বক্তব্য নিছক আনুষ্ঠানিক মন্তব্য নয়; বরং মাঠে গত ১৫ মাস ধরে সেনাবাহিনী যে কঠিন দায়িত্ব পালন করেছে তার বাস্তব অভিজ্ঞতার সারসংক্ষেপ। তাদেরকে এবার দীর্ঘ সময় মাঠে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এটি একদিকে সেনাবাহিনীর নিজস্ব প্রশিক্ষণ কাঠামোকে ব্যাহত করেছে, অন্যদিকে প্রমাণ করেছে- বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতি নষ্ট হলে সামরিক বাহিনী কী ধরনের বাড়তি চাপের মুখে পড়ে। এখন প্রশ্ন- এই অবস্থার পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব? উত্তর একটাই- বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন। কারণ নির্বাচনের বৈধতা, গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ছাড়া রাজনৈতিক স্থিতি নিশ্চিত হয় না। এই স্থিতি ছাড়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়, বিনিয়োগ আসে না, মানুষের আস্থা তৈরি হয় না। আর যখন আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে, তখন শুধু সেনাবাহিনী নয়, গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকেই অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। অতএব সেনাবাহিনী শুধু দায়িত্ব পালন করছে না - একটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতি আস্থার কথা বলছে। এই জায়গায় রাজনৈতিক দলগুলোকে স্মরণ রাখতে হবে নির্বাচন প্রতিযোগিতা নয়, নির্বাচন আস্থার প্রতিযোগিতা। দলগুলোর প্রতিযোগিতা ভোটে; কিন্তু আস্থার প্রতিযোগিতা জনগণের কাছে। সেনাবাহিনীর দায়িত্ব নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নির্বাচন কমিশনের। সরকার ও নির্বাচন কমিশন যে রূপরেখা দিয়েছে এখন তা বাস্তবায়নই প্রধান কাজ। আমরা মনে করি, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয় - এটি দেশের স্থিতি, বিনিয়োগ, উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের পথরেখা নির্ধারণ করবে। সেনাবাহিনীর ভাষায়- সঠিক নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে। আর সেই স্থিতিশীলতাই আজকের বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। দেশের উত্তপ্ত রাজনীতিকে ঠা-া করতে, জনগণকে আস্থায় ফিরিয়ে আনতে, অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে- ‘বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন’ই একমাত্র পথ। এই পথেই চলুক বাংলাদেশ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স